শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

সৈকতে ২৪ দিনে ৮৪ কাছিমের মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও ১৪ টি কাছিমের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বোরি’র গবেষক দল। এ নিয়ে গত ২৭ দিনে ৯৮ টি কাছিমের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ২৪ দিনে পাওয়া গিয়ে ছিল ৮৪ টি কাছিমের মরদেহ।

বুধবার সন্ধ্যা সকাল সোয়া ৭ টা থেকে বিকাল সোয়া ৫ টা পর্যন্ত সমুদ্র সৈকতের মাঙ্গালা পাড়া থেকে নাজিরারটেক পয়েন্ট এলাকা থেকে ১৪ টি কাছিমগুলোর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান, বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বোরি) বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিমুল ভূঁইয়া।

উদ্ধার করা মৃত কাছিমগুলো জলপাই রঙের অলিভ রিডলে প্রজাতির।

শিমুল ভূঁইয়া বলেন, সম্প্রতি স্থানীয়রা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন এলাকায় কিছু কাছিমের মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর দেন তাদের ( বোরি )। এর প্রেক্ষিতে বোরি’র ৫ জন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি গবেষক দল গঠন করেন কাছিমের মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে।

বোরি’র এ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেন, বুধবার সকালে সমুদ্র সৈকতের রামু উপজেলার মাঙ্গালা পাড়া থেকে বোরি’র বৈজ্ঞানিক দল চতুর্থ দফার জরিপ কাজ শুরু করে। বিকাল পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক পয়েন্ট পর্যন্ত জরিপ কাজ চালিয়ে ১৪ টি কাছিমের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এগুলোর মধ্যে মাঙ্গালা পাড়া সৈকত থেকে ১ টি, পেঁচারদ্বীপে ২ টি, সালসা বিচে ৩ টি, হিমছড়িতে ৪ টি এবং দরিয়ানগর থেকে ৪ টি মৃত কাছিম উদ্ধার হয়েছে। “

শিমুল বলেন, “ নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত সামুদ্রিক কাছিমের প্রজনন মৌসুম। এসময় মা কাছিম ডিম পাড়তে গভীর সাগর থেকে উপকূলে আসে। তখন অনেক কাছিম জেলেদের জালে আটকে এবং সমুদ্রে চলাচলকারি বড় নৌযানের ধাক্কায় মারা যায়। তদন্তের পর কচ্ছপগুলোর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে। “

এই বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেন, “ কাছিমগুলো গেলো এক-দেড় মাসের মধ্যে মারা গেছে। এক-দুই দিনে মারা গেছে এমনটি নয়। আমরা অনেকগুলো মৃত কাছিমের খোলস পেয়েছি। “

বোরি’র দেওয়া তথ্য মতে, গত ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের সোনাদিয়া, হিমছড়ি, সোনারপাড়া, ইনানী ও টেকনাফের বিভিন্ন সৈকত এলাকায় ২৯ টি মৃত কাছিম উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই সময়ের মধ্যে ৩ টি মৃত ডলফিন ও ১ টি মৃত পরপইসও উপকূলে ভেসে এসেছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888